ডিভিডেন্ড ইল্ড
শেয়ারের দাম ও লভ্যাংশ থেকে ইল্ড কত, আর কিনেছিলেন যে দামে সেটার হিসাব আলাদা।
সাম্প্রতিক
সূত্র
yield = annual dividend ÷ share price × 100
হিসাবটা কীভাবে হয়
ইল্ড মানে লভ্যাংশ ভাগ দাম। দাম নড়ে, তাই একই লভ্যাংশ দুই দিনে দুই ইল্ড দেয়। এজন্যই কোন দামে মাপা হলো সেটা ছাড়া ইল্ডের অর্থ নেই।
খরচে ইল্ড বিনিয়োগকারী আসলে যা দিয়েছেন তা নেয়। ৪০-এ কেনা শেয়ার এখন ৫০-এ, লভ্যাংশ ২ — আজকের দামে ৪%, খরচে ৫%, আর দ্বিতীয়টাই অবস্থানের আসল আয় বোঝায়।
যে ভুলগুলো হয়
- উচ্চ ইল্ডকে সস্তা সুযোগ ভাবা। দাম পড়লে ইল্ড বাড়ে, অথচ কোম্পানি লভ্যাংশ কমাতে পারে — তাই উচ্চ ইল্ড সুযোগের বদলে সতর্কবার্তাও হতে পারে।
- পেআউট অনুপাত না দেখে ইল্ড তুলনা করা। যে লভ্যাংশ প্রায় পুরো মুনাফা খেয়ে ফেলে, সেটা এক খারাপ বছরের দূরত্বে কমানো।
কখন ব্যবহার করবেন
- এখন একটা হোল্ডিং কত আয় দেয় তা বের করতে, আর বছরের পর বছর রাখা অবস্থানের খরচে ইল্ড দেখতে ব্যবহার করুন।
- স্ক্রিনে অস্বাভাবিক উঁচু ইল্ড দেখালে যাচাইও এটাই: দামের সাথে মিলিয়ে দেখুন, কোম্পানি লভ্যাংশটা ধরে রাখতে পারে কি না।
হাতে-করা উদাহরণ
৫০ টাকার শেয়ারে ২ টাকা লভ্যাংশ — ইল্ড ৪%, ৪০-এ কেনা হলে খরচে ইল্ড ৫%, ১০০ শেয়ারে বছরে ২০০।
ডিভিডেন্ড ইল্ড
৪.০০
খরচে ইল্ড
৫.০০
বার্ষিক আয়
২০০.০০
বিনিয়োগ
৪,০০০.০০
সাধারণ প্রশ্ন
ইল্ড আর খরচে ইল্ড কেন আলাদা?
ইল্ড আজকের দামের সাপেক্ষে, যা নতুন কেনার সময় দেখা হয়। খরচে ইল্ড আপনার কেনা দামের সাপেক্ষে, যা বছরের পর বছর ধরে রাখা বিনিয়োগকারীর আসল আয় দেখায়।
উচ্চ ইল্ড মানেই ভালো?
না। দাম পড়ে গেলে ইল্ড কাগজে বেড়ে যায়, অথচ কোম্পানি লভ্যাংশ কমাতে পারে। ইল্ডের সাথে লভ্যাংশ টেকসই কি না সেটাও দেখতে হয়।