ইনভেন্টরি টার্নওভার ক্যালকুলেটর (কতবার ঘোরে ও বিক্রির দিন)
বার্ষিক বিক্রীত পণ্যের খরচকে গড় ইনভেন্টরি দিয়ে ভাগ করে স্টক কতবার ঘোরে এবং বিক্রি হতে কত দিন লাগে তা দেখায়।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
টুলটি বার্ষিক বিক্রীত পণ্যের খরচকে গড় ইনভেন্টরি মূল্য দিয়ে ভাগ করে টার্নওভার সংখ্যা বের করে।
সেই সংখ্যা বলে দেয় বছরে পুরো স্টক কতবার বিক্রি হয়ে আবার ভরা হয়েছে।
এরপর ৩৬৫ দিনকে টার্নওভার দিয়ে ভাগ করে স্টক গড়ে কত দিন তাকে থাকে তা দেয়।
যে ভুলগুলো হয়
- গড়ের বদলে বছরের শেষের স্টক ধরা, যা ব্যস্ত মৌসুমে জমে যাওয়া মাল লুকিয়ে রাখে।
- পণ্যের খরচে বিক্রয়মূল্য মিশিয়ে ফেলা, অথচ টার্নওভারে খরচের মূল্য লাগে, খুচরা মূল্য নয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- নগদ টাকা মাসের পর মাস বিক্রি হতে সময় নেওয়া ধীর স্টকে আটকে আছে কি না যাচাই করুন।
- ক্রয়ের নিয়ম বদলানোর আগে-পরে টার্নওভার মিলিয়ে দেখুন স্টক দ্রুত চলছে নাকি জমছে।
হাতে-করা উদাহরণ
বার্ষিক পণ্য খরচ ১২,০০,০০০ টাকা ও গড় ইনভেন্টরি ২,০০,০০০ টাকা হলে টার্নওভার ৬ বার, তাই স্টক বিক্রি হতে প্রায় ৬০.৮ দিন লাগে।
সাধারণ প্রশ্ন
বেশি ইনভেন্টরি টার্নওভার কি সবসময় ভালো?
সাধারণত হ্যাঁ, তবে অতিরিক্ত টার্নওভার বোঝাতে পারে স্টক কম আছে এবং জনপ্রিয় পণ্য শেষ হয়ে বিক্রি হারাচ্ছে।
সম্পর্কিত টুল
-
ইনভয়েস মোট
ছাড় ও ট্যাক্স ধরে চালানের মোট — ট্যাক্স আসল দামের উপর, ছাড়ের পরে।
-
হোম অফিস খরচ ক্যালকুলেটর
ঘরে কাজের জায়গার অংশ অনুযায়ী বিলের কতটা খরচে ধরা যায়।
-
কমিশনের হিসাব
বিক্রিমূল্য ও হার থেকে কমিশন বের করে এবং কমিশন ও অন্যান্য কেটে নেওয়ার পর নিট পাওনা দেখায়।
-
দৈনিক আয়-ব্যয় ক্যালকুলেটর (বাংলাদেশ)
দিনের পণ্য খরচ, ডেলিভারি ও অন্যান্য ব্যয় যোগ করে তা মোট বিক্রয় থেকে বিয়োগ করে দিনশেষে অবশিষ্ট নিট দেখায়।
-
পরিবেশকের মার্জিন ক্যালকুলেটর (বাংলাদেশ)
পরিবেশক দাম ও ডিলার দাম তুলনা করে প্রতি ইউনিটের মার্জিন এবং পরিবহন খরচের পর মার্জিন শতাংশ দেখায়।
-
অনলাইন বিক্রির লাভ ক্যালকুলেটর (বাংলাদেশ)
একটি অনলাইন অর্ডারে বিক্রয়মূল্য থেকে পণ্য খরচ, ডেলিভারি, ক্যাশ-অন-ডেলিভারি চার্জ ও প্যাকেজিং বাদ দিয়ে আসল লাভ দেখায়।
-
কখন মাল কিনব হিসাব
দৈনিক বিক্রি, সরবরাহকারীর লিড টাইম ও সেফটি স্টক মিলিয়ে কোন মজুদে নতুন করে মাল কিনতে হবে তা বের করে।
-
মার্কআপ বনাম মার্জিন ক্যালকুলেটর
একই বিক্রয়ের মার্কআপ শতাংশ ও মার্জিন শতাংশ দেখায়, যাতে বোঝা যায় একই দামে দুটি ভিন্ন শতাংশ কেন হয়।