পড়ার সময় পরিকল্পনা ক্যালকুলেটর (দৈনিক ও সমন্বিত ঘণ্টা)
সিলেবাসের পড়ার ঘণ্টাকে অবশিষ্ট দিন দিয়ে ভাগ করে দৈনিক সংখ্যা বের করে এবং রিভিশন ফ্যাক্টর দিয়ে তা বাড়ায়।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
টুলটি সিলেবাসের মোট পড়ার ঘণ্টাকে হাতে থাকা দিন দিয়ে ভাগ করে প্রতিদিনের মূল ঘণ্টা বের করে।
সেই মূল ঘণ্টাকে রিভিশন ফ্যাক্টর দিয়ে গুণ করে, যেখানে ১.২৫ মানে সময়ের আরও এক-চতুর্থাংশ যোগ।
বাড়ানো মোটকে একই দিন দিয়ে ভাগ করে সমন্বিত দৈনিক পড়ার লক্ষ্য দেয়।
যে ভুলগুলো হয়
- প্রতিটি ক্যালেন্ডার দিনকে পড়ার দিন ধরা, অথচ ক্লাস, পরীক্ষা ও বিশ্রামের দিন সময়ের একটি অংশ নেয়।
- ধরে রাখা যায় না এমন দৈনিক লক্ষ্য ঠিক করা, কারণ প্রতিদিন হেরে যাওয়া পরিকল্পনা ছোট কিন্তু স্থির লক্ষ্যের চেয়ে খারাপ।
কখন ব্যবহার করবেন
- সিলেবাসের আকার ও হাতে থাকা দিন জানা থাকলে পরীক্ষার মৌসুমের জন্য দৈনিক পড়ার লক্ষ্য ঠিক করুন।
- বাড়তি রিভিশনের সময় দিলে প্রতিদিন যে ঘণ্টা ধরে রাখতে হবে তা কেমন বদলায় দেখুন।
হাতে-করা উদাহরণ
৩২০ ঘণ্টার সিলেবাস ও ৮০ দিন হাতে থাকলে দিনে ৪ ঘণ্টা লাগে, আর ২৫ শতাংশ রিভিশন ফ্যাক্টর তা দিনে ৫ ঘণ্টায় তোলে।
সাধারণ প্রশ্ন
কত রিভিশন ফ্যাক্টর ধরব?
১.২৫ ফ্যাক্টর রিভিশনের জন্য আরও এক-চতুর্থাংশ সময় যোগ করে, আর ১.৫ অর্ধেক যোগ করে, যা কঠিন বিষয়ের জন্য কাজে লাগে।
সম্পর্কিত টুল
-
এইচএসসি জিপিএ ক্যালকুলেটর (বাংলাদেশ)
এইচএসসির প্রতিটি বিষয়ের লেটার গ্রেডকে গ্রেড পয়েন্টে বদলে গড় করে বাংলাদেশের গ্রেডিং নিয়মে সামগ্রিক জিপিএ দেয়।
-
আইইএলটিএস ব্যান্ডের হিসাব
চার সেকশনের স্কোরের গড় করে এবং ফলাফলকে নিকটতম অর্ধ ব্যান্ডে গোল করে ওভারঅল আইইএলটিএস ব্যান্ড বের করে।
-
প্রবাসে পড়ার খরচের হিসাব
টিউশন, থাকা, খাওয়া ও অন্যান্য খরচ যোগ করে এবং বিনিময় হারে টাকায় বদলে বিদেশে পড়ার বার্ষিক মোট খরচ বের করে।
-
টিউশনের আয় ক্যালকুলেটর (বাংলাদেশ)
মাসিক ফিকে ছাত্র সংখ্যা দিয়ে গুণ করে মাসিক ও বার্ষিক টিউশন আয় দেখায়, আর যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে নিট বের করে।
-
CGPA থেকে শতকরা
১০ পয়েন্ট গ্রেডিং স্কেলে বহুল ব্যবহৃত ৯.৫ গুণক দিয়ে সিজিপিএ থেকে শতকরা হিসাব করে।
-
কোচিং ফি প্ল্যান
অধ্যয়নের মাসগুলোতে মাসিক ফি এবং এককালীন ভর্তি ফি মিলিয়ে কোচিং কোর্সের মোট খরচ বের করে।
-
পরীক্ষার নম্বর থেকে GPA
বাংলাদেশ বোর্ডের ব্যান্ড মেনে পাঁচটি বিষয়ের নম্বরকে গ্রেড পয়েন্টে বদলে তার গড় দিয়ে জিপিএ বের করে।
-
হোস্টেল মাসিক খরচ
বাসাভাড়া, খাবার, ইউটিলিটি ও অন্যান্য নিয়মিত খরচ যোগ করে হোস্টেলে থাকার প্রকৃত মাসিক খরচ বের করে।