গাড়ির মাসিক খরচ
জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, বীমা ও অন্যান্য নিয়মিত খরচ যোগ করে গাড়ি চালানোর প্রকৃত মাসিক খরচ বের করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ মাসিক অঙ্ক হিসেবে দেওয়া হয়, আর বীমা হলো বার্ষিক প্রিমিয়াম যা বারো দিয়ে ভাগ করে সমানভাবে ছড়ানো হয়।
জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, বীমার মাসিক অংশ এবং পার্কিং-টোলের মতো অন্যান্য খরচ যোগ করলে পূর্ণ মাসিক চালানোর খরচ আসে।
উদাহরণের ৮,০০০, ২,০০০, ১,০০০ ও ১,০০০ টাকা যোগ করলে গাড়ি চালু রাখতে মাসে ১২,০০০ টাকা লাগে।
যে ভুলগুলো হয়
- অবচয় বাদ দিলে দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় খরচ ঢাকা পড়ে, কারণ জ্বালানি বিল কম মনে হলেও গাড়ি প্রতি বছর মূল্য হারায়।
- বার্ষিক বীমা প্রিমিয়ামকে মাসিক অঙ্ক হিসেবে দিলে মোট প্রায় বারো গুণ ফুলে ওঠে, তাই আগে সবসময় তা বারো দিয়ে ভাগ করুন।
কখন ব্যবহার করবেন
- গাড়ি কেনার আগে মাসিক চালানোর খরচ ঋণের কিস্তির সঙ্গে আপনার বাজেটে চলে কি না দেখতে এটি ব্যবহার করুন।
- এক বছরে জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণে পেট্রল গাড়ির সঙ্গে ছোট বা বিদ্যুৎচালিত গাড়ির তুলনা করতে এটি ব্যবহার করুন।
হাতে-করা উদাহরণ
জ্বালানি ৮,০০০ টাকা, রক্ষণাবেক্ষণ ২,০০০ টাকা, মাসিক বীমা ১,০০০ টাকা ও অন্যান্য ১,০০০ টাকায় গাড়ির মাসিক খরচ ১২,০০০ টাকা।
সাধারণ প্রশ্ন
বীমাকে বারো দিয়ে ভাগ করা হয় কেন?
বীমা সাধারণত বছরে একবার দেওয়া হয়, তাই প্রিমিয়াম বারো দিয়ে ভাগ করলে তা মাসগুলোতে ছড়িয়ে যায় আর মাসিক জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের পাশে বসানো যায়।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।