কনক্রিট ক্যালকুলেটর
ঢালাইয়ের আয়তন থেকে সিমেন্টের ব্যাগ, বালি ও খোয়ার হিসাব।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ভেজা আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × পুরুত্ব। এটা সেই গর্তের আয়তন যা কনক্রিট ভরায়। শুকনো আয়তন তার প্রায় ১.৫৪ গুণ, কারণ শুকনো বালি-খোয়ায় ফাঁক থাকে যা পানি-সিমেন্ট মেশালে ভরে যায়, তাই শুকনো উপকরণ বড় অঙ্কে কিনতে হয়।
মিশ্রণের অনুপাত সেই শুকনো আয়তন ভাগ করে। ১:২:৪-এ মোট সাত ভাগ — এক সিমেন্ট, দুই বালি, চার পাথর — তাই সিমেন্ট শুকনো আয়তনের এক-সপ্তমাংশ। ব্যাগ আসে সিমেন্টের আয়তন ০.০৩৪৭ ঘনমিটার দিয়ে ভাগ করে, যা এক বস্তা ৫০ কেজি সিমেন্টের জায়গা; আর দোকানে গোটা ব্যাগ বিক্রি হয় বলে ওপরে গুনে নেওয়া হয়।
যে ভুলগুলো হয়
- সেমিতে পুরুত্বকে মিটারে দৈর্ঘ্যের সাথে না বদলে গুণ করা। ১৫ সেমি মানে ০.১৫ মিটার, ১৫ নয়।
- শুকনো উপকরণ ভেজা আয়তনে অর্ডার করা, এতে কাজ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম পড়ে।
- ব্যাগের সংখ্যা নিচের দিকে গুনে নেওয়া। দোকানে গোটা ব্যাগই মেলে, আর ঢালাইয়ের মাঝপথে সিমেন্ট ফুরানো একটা বাড়তি ব্যাগের চেয়ে অনেক খারাপ।
কখন ব্যবহার করবেন
- স্ল্যাব, ফুটিং বা রাস্তার উপকরণ অর্ডার করতে, আর ঠিকাদারের লিস্ট মিলাতে ব্যবহার করুন।
- এটা উপকরণের পরিমাণ দেয়, কাঠামোর ডিজাইন নয়। লোড নেবে এমন কিছু হলে ডিজাইন করিয়ে নিন।
হাতে-করা উদাহরণ
১০ × ৫ মিটার, ০.১৫ পুরু, ১:২:৪ — ভেজা আয়তন ৭.৫ ঘনমিটার, ৫৬ ব্যাগ সিমেন্ট।
সাধারণ প্রশ্ন
১.৫৪ গুণ কেন?
শুকনো উপকরণে বালি-খোয়ার ফাঁক থাকে, যা পানি ও সিমেন্ট মেশালে ভরে যায়। তাই শুকনো আয়তন ভেজা আয়তনের প্রায় ১.৫৪ গুণ ধরা হয় — এটাই মিশ্রণের উপকরণ বের করার প্রচলিত নিয়ম।
ব্যাগের সংখ্যা কেন পূর্ণসংখ্যায়?
কারণ দোকানে ভাঙা ব্যাগ মেলে না। হিসাব ৫৫.২ আসলে ৫৬ ব্যাগ কিনতে হবে। বালি আর খোয়ার হিসাব ঘনমিটারে থাকে, কারণ ওগুলো ওজনে বা আয়তনে বিক্রি হয়।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।