কিস্তি পরিকল্পনা
দাম, মাস ও সুদ ধরে প্রতি কিস্তি কত, মোট কত দিতে হবে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
কিস্তি পরিকল্পনা আসলে একটা ঋণ, যার আসল দামটাই মূলধন — তাই একই কিস্তির সূত্র ব্যবহার হয়। একমাত্র বিশেষ কেস সুদ শূন্য, যা দোকানের ফিন্যান্সে সাধারণ; ওটা সরল ভাগে হয়, শূন্য দিয়ে ভাগের ফাঁদে পড়ে না।
যে অঙ্কটা দেখবেন সেটা দাম আর মোট পরিশোধের ফারাক। ১,২০০-এর জিনিস ১২ মাসে ০%-এ ফারাক নেই; ২০%-এ একই পরিকল্পনা প্রায় ১৩৩ বেশি খরচ করায় — এটাই কিস্তিতে ভাঙার আসল দাম।
যে ভুলগুলো হয়
- মাসিক হারকে বার্ষিক ভেবে পড়া। বার্ষিক হারকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে প্রকৃত চক্রবৃদ্ধি খরচ কম দেখায়; আসল বার্ষিক দাম জানতে এপিআর দেখুন।
- শূন্য শতাংশকে সবদিক থেকে ফ্রি ধরে নেওয়া। দাম হয়তো নগদ কেনার চেয়ে আগেই বেশি, তখন সুদটা টিকিটের ভেতরে লুকানো, উধাও নয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- দোকানের ফিন্যান্সে রাজি হওয়ার আগে ব্যবহার করুন — কিস্তি টিকিটের দামের উপরে কত যোগ করে দেখতে।
- ০% পরিকল্পনা আর নগদ দেওয়ার সৎ তুলনাও এটাই: নগদ দামটা মূলধন হিসেবে বসান, ফাঁকটা সুবিধার দাম দেখাবে।
হাতে-করা উদাহরণ
১,২০০-এর জিনিস ১২ মাসে সুদ ছাড়া — মাসে ১০০, মোট ১,২০০, কোনো সুদ নেই।
সাধারণ প্রশ্ন
সুদ শূন্য হলে কী হয়?
দামকে মাস দিয়ে ভাগ করা হয়। সুদ শূন্য হলেও কিস্তি একই থাকে — এজন্যই '০% কিস্তি' আসলে দামের চেয়ে বেশি কিছু নয়।
মাসিক সুদের হার কীভাবে আসে?
বার্ষিক হারকে ১২ দিয়ে ভাগ করা হয়। এটা চক্রবৃদ্ধির প্রকৃত হার নয় — প্রকৃত বার্ষিক খরচ জানতে এপিআর হিসাব দেখুন।
সম্পর্কিত টুল
-
ঋণের কিস্তি (ইএমআই)
কত টাকা ঋণ নিলে মাসে কত কিস্তি, আর পুরো মেয়াদে সুদ মিলিয়ে কত দিতে হবে।
-
কার্ডের ঋণ শোধের হিসাব
কার্ডে জমা ঋণ প্রতি মাসে কত দিলে কত মাসে শেষ হবে, আর সুদ কত লাগবে।
-
ব্রেক-ইভেন: কত বিক্রি করলে খরচ উঠবে
ব্যবসার খরচ উঠাতে কতটা জিনিস বেচতে হবে, তা বের করা।
-
কত টাকার বাড়ি কিনতে পারবেন
আয় আর জমানো টাকা থেকে কত টাকার ঋণ পাওয়া যাবে, আর কোন শর্তটা আটকাবে।
-
ঋণের মোট খরচ
কিস্তি মিলিয়ে শেষে আসলে কত টাকা দিতে হয়, আর সুদে কত যায়।
-
বাড়তি কিস্তিতে কত বাঁচবে
প্রতি মাসে একটু বেশি দিলে কত মাস কমবে, আর কত সুদ বাঁচবে।