ঋণের মোট খরচ
কিস্তি মিলিয়ে শেষে আসলে কত টাকা দিতে হয়, আর সুদে কত যায়।
আপনার সংখ্যা লিখুন
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ঋণের মোট খরচ মানে কিস্তি গুণ কিস্তির সংখ্যা, আর সুদ মানে ওই মোট যতটা ঋণের অঙ্কের চেয়ে বেশি। ১৫,০০০ টাকা ৯% সুদে পাঁচ বছরে কিস্তি ৩১১.৩৮, তাই মোট ১৮,৬৮৩ আর সুদ ৩,৬৮৩ — ধার করা টাকার প্রায় এক-চতুর্থাংশ।
কিস্তিটা বেরোয় এমন একটা সূত্রে যা ভুল পড়া সহজ: ঋণের অঙ্ক গুণ মাসিক হার, ভাগ এক বাদ দিয়ে মেয়াদের চক্রবৃদ্ধি ছাড়। আসল ব্যাপার হলো কিস্তি সমান থাকে, তাই তার গঠন সমান থাকে না। শুরুতে কিস্তির বেশিরভাগ সুদ, শেষে বেশিরভাগ মূল টাকা।
এজন্যই মাসিক কিস্তি আর মোট খরচ দুইটা আলাদা প্রশ্ন। মেয়াদ বাড়লে প্রথমটা কমে, দ্বিতীয়টা বাড়ে — কারণ একই অঙ্ক বেশি মাসে ভাগ হয়, আর প্রতি মাসে সুদ ওঠে। মেয়াদ বাছাই মানে এই দুইটার মধ্যে বাছাই।
যে ভুলগুলো হয়
- শুধু মাসিক কিস্তি দেখে ঋণ মেলানো — কম কিস্তি প্রায়ই মানে লম্বা আর দামি ঋণ।
- সুদ মানে হার গুণ ঋণের অঙ্ক ধরে নেওয়া। ১৫,০০০-এর ৯% মানে ১,৩৫০, কিন্তু সুদ যায় ৩,৬৮৩ — কারণ ব্যালান্সের উপর প্রতি মাসে সুদ বসে।
- ফি আর বীমা ভুলে যাওয়া — সুদের বাইরে, কিন্তু আসল খরচের অংশ।
কখন ব্যবহার করবেন
- দুইটা প্রস্তাব ঠিকভাবে মেলাতে, আর মোটের কতটা সুদ আর কতটা আসল টাকা দেখতে এটা ব্যবহার করুন।
- এটা শুধু সুদ ধরে। ফি, বীমা আর আগে শোধের জরিমানা বাইরে — আর সেগুলো দুই প্রস্তাবের ক্রম বদলে দিতে পারে।
হাতে-করা উদাহরণ
১৫,০০০ টাকা, ৯% সুদে ৫ বছর — কিস্তি ৩১১.৩৮, মোট ১৮,৬৮৩, যার ৩,৬৮৩ সুদ।
সাধারণ প্রশ্ন
মেয়াদ বাড়ালে কিস্তি কমে, খরচ কমে না কেন?
মেয়াদ বাড়লে প্রতি মাসে কম দেন, কিন্তু বেশি মাস ধরে দেন — আর প্রতি মাসে সুদ ওঠে। তাই মোট সুদ বাড়ে।
সম্পর্কিত টুল
-
ঋণের কিস্তি (ইএমআই)
কত টাকা ঋণ নিলে মাসে কত কিস্তি, আর পুরো মেয়াদে সুদ মিলিয়ে কত দিতে হবে।
-
কার্ডের ঋণ শোধের হিসাব
কার্ডে জমা ঋণ প্রতি মাসে কত দিলে কত মাসে শেষ হবে, আর সুদ কত লাগবে।
-
ব্রেক-ইভেন: কত বিক্রি করলে খরচ উঠবে
ব্যবসার খরচ উঠাতে কতটা জিনিস বেচতে হবে, তা বের করা।
-
কত টাকার বাড়ি কিনতে পারবেন
আয় আর জমানো টাকা থেকে কত টাকার ঋণ পাওয়া যাবে, আর কোন শর্তটা আটকাবে।
-
বাড়তি কিস্তিতে কত বাঁচবে
প্রতি মাসে একটু বেশি দিলে কত মাস কমবে, আর কত সুদ বাঁচবে।
-
শুধু সুদ দেওয়ার ঋণ
শুধু সুদ দিলে মাসে কত লাগে, আর শেষে কত টাকা বাকি থাকে।