ইনভার্টার ব্যাকআপ হিসাব
ইনভার্টারের ব্যাটারির ব্যবহারযোগ্য শক্তি এবং দক্ষতা ও ডিসচার্জ গভীরতা ধরে একটি নির্দিষ্ট লোড কত ঘণ্টা চলবে তা দেখায়।
আপনার সংখ্যা লিখুন
উদাহরণ: 150
উদাহরণ: 12
উদাহরণ: 300
উদাহরণ: 85
উদাহরণ: 60
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ব্যাটারি শক্তি জমা রাখে ওয়াট-ঘণ্টায়, যা তার অ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টা ধারণক্ষমতাকে ভোল্টেজ দিয়ে গুণ করে পাওয়া যায়, তাই দুটি মান একসঙ্গেই ব্যবহার করতে হয়।
এই শক্তির সবটুকু পাওয়া যায় না, কারণ ইনভার্টার কিছুটা তাপ হিসেবে হারায় আর সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুরোপুরি খালি করা উচিত নয়।
ব্যবহারযোগ্য শক্তিকে ওয়াটে লোড দিয়ে ভাগ করলে ব্যাকআপের ঘণ্টা পাওয়া যায়, যা বেশি যন্ত্র চালু করলে দ্রুত কমে।
যে ভুলগুলো হয়
- পুরো ব্যাটারি ধারণক্ষমতা ধরে ডিসচার্জ গভীরতা বাদ দেওয়া, যাতে সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারিতে ব্যাকআপ প্রায় অর্ধেক বেশি দেখায়।
- যে যন্ত্র একসঙ্গে চলে না, যেমন ফ্রিজের কম্প্রেসর আর ইস্ত্রি, তাদের ওয়াট যোগ করা।
কখন ব্যবহার করবেন
- লোড শেডিংয়ের সময় বাছাই করা কিছু বাতি, ফ্যান ও রাউটারের জন্য ইনভার্টার ও ব্যাটারির আকার ঠিক করতে এটি ব্যবহার করুন।
- ভিন্ন নিরাপদ ডিসচার্জ সীমার লিথিয়াম ব্যাটারি বা বেশি স্টার্ট-আপ কারেন্টের লোডের জন্য এটি ব্যবহার করবেন না।
হাতে-করা উদাহরণ
১৫০ অ্যাম্পিয়ার-ঘণ্টা, ১২ ভোল্ট, ৮৫ শতাংশ দক্ষতা ও ৬০ শতাংশ ডিসচার্জে ব্যবহারযোগ্য শক্তি ৯১৮ ওয়াট-ঘণ্টা, যা ৩০০ ওয়াট লোডে ৩.০৬ ঘণ্টা চলে।
সাধারণ প্রশ্ন
ডিসচার্জ গভীরতা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি রিচার্জের আগে তার চার্জের কেবল একটি অংশই দিতে পারে, তাই পুরো ধারণক্ষমতা ধরলে আয়ু কমে ও ব্যাকআপ বেশি দেখায়।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।