টাকা দ্বিগুণ হওয়ার সময় হিসাব
একটি বিনিয়োগ নির্দিষ্ট বার্ষিক রিটার্নে কত বছরে দ্বিগুণ হয় তা নিখুঁতভাবে এবং ৭২-এর সহজ নিয়মে বের করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
নিখুঁত পদ্ধতিতে দুইয়ের স্বাভাবিক লগারিদমকে এক যোগ বার্ষিক হারের (দশমিক) স্বাভাবিক লগারিদম দিয়ে ভাগ করা হয়।
এই চক্রবৃদ্ধি সূত্রে সুদের উপর সুদ ধরা হয়, তাই বেশি হারে দিলেও এটি নির্ভুল থাকে।
৭২-এর নিয়মে শুধু ৭২-কে শতাংশ হার দিয়ে ভাগ করা হয়, যা মাঝারি হারে দ্রুত ও কাছাকাছি মান দেয়।
যে ভুলগুলো হয়
- চক্রবৃদ্ধির বদলে সরল সুদ ব্যবহার করা, যাতে দ্বিগুণ হওয়ার সময় আসলের চেয়ে বেশি মনে হয়।
- অনেক বেশি হারে ৭২-এর নিয়মে ভরসা করা, যেখানে এই শর্টকাট নিখুঁত চক্রবৃদ্ধি ফলের থেকে সরে যায়।
কখন ব্যবহার করবেন
- কোন সঞ্চয় হিসাব বা ফান্ড কত দ্রুত টাকা দ্বিগুণ করে, তা তুলনা করতে এটি ব্যবহার করুন।
- আন্দাজি নয়, দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের জন্য বাস্তবসম্মত সময়সীমা ঠিক করতে এটি ব্যবহার করুন।
হাতে-করা উদাহরণ
বছরে ১২% হারে টাকা নিখুঁতভাবে প্রায় ৬.১২ বছরে দ্বিগুণ হয়, আর ৭২-এর নিয়মে ৬.০০ বছর।
সাধারণ প্রশ্ন
৭২-এর নিয়ম কাজ করে কেন?
৭২-কে বার্ষিক শতাংশ হারে ভাগ করলে ৬% থেকে ১২% সাধারণ হারে চক্রবৃদ্ধি দ্বিগুণ হওয়ার সময়ের কাছাকাছি মান পাওয়া যায়।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।