দাম বাড়ার প্রভাব ক্যালকুলেটর
দাম বাড়লে মাসিক ও বার্ষিক খরচ কত বাড়ে তা দেখায়।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
মাসিক বাড়তি হলো এখনকার খরচ গুণ বাড়ার হার, আর নতুন মাসিক খরচ সেই বাড়তিটা আবার যোগ করে।
মাসিক বাড়তি বারো দিয়ে গুণ করলে বছরের ক্ষতি বোঝা যায়, আর সংসারের বাজেটে সেটিই সত্যিই টের পাওয়া যায়।
একটি ছোট শতাংশ একটি লাইনে তুচ্ছ লাগতে পারে, কিন্তু বারো মাসের মোটই সেটিকে সত্যিকারের সমস্যা বানায়।
যে ভুলগুলো হয়
- এক জিনিসে বাড়াটা বসিয়ে সেটিকে পুরো সংসারের বাড়া ভাবলে প্রভাব বাড়িয়ে দেখানো হয়; প্রতিটি জিনিসে বা মোটে চালান।
- একটি বাড়া পরের বছর আরেক বাড়ার সঙ্গে যুক্ত হয় তা ভুলে যাওয়া ঠিক নয়, তাই মূল্যস্ফীতি সময় ধরে দেখা হয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- নিয়মিত কোনো খরচ বাড়লে আর সেটা পড়ার আগেই মাসিক ও বার্ষিক চাপ দেখতে চাইলে এটি ব্যবহার করুন।
- এটি এককালীন দাম-তুলনা নয়; একবারের কেনায় দামের সাধারণ পার্থক্যই যথেষ্ট।
হাতে-করা উদাহরণ
মাসে ২০০০০ টাকার খরচ ১০% বাড়লে মাসে ২০০০, বছরে ২৪০০০ টাকা বেশি লাগে।
সাধারণ প্রশ্ন
এটি কি এক জিনিসের জন্য?
এটি একটি মাসিক অঙ্কে বাড়াটা বসায়, তাই প্রতিটি জিনিসে আলাদা বা মোট মাসিক খরচে চালান।
বার্ষিক অঙ্ক দেখানো কেন?
মাসিক সামান্য বাড়া নিরীহ লাগে, কিন্তু বারো মাসের মোটই সংসারের বাজেটে চাপ ফেলে।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।