বৃত্তের ক্যালকুলেটর
ব্যাসার্ধ থেকে বৃত্তের ব্যাস, পরিধি ও ক্ষেত্রফল নির্ণয় করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ব্যাসার্ধ হলো বৃত্তের কেন্দ্র থেকে তার প্রান্ত পর্যন্ত দূরত্ব, আর এই টুলের অন্য সব মাপ সেই একটি সংখ্যা ও পাই ধ্রুবক থেকেই বেরিয়ে আসে।
ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ হলো ব্যাস, অর্থাৎ কেন্দ্র দিয়ে বৃত্তের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের সম্পূর্ণ প্রস্থ; ৭ ব্যাসার্ধে সেই ব্যাস ১৪ একক।
ব্যাসার্ধের দ্বিগুণকে পাই দিয়ে গুণ করলে পরিধি আসে, আর পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ দিলে ক্ষেত্রফল, তাই ৭ ব্যাসার্ধে চারপাশে প্রায় ৪৩.৯৮ ও ভিতরে ১৫৩.৯৪ হয়।
যে ভুলগুলো হয়
- ব্যাসার্ধকে ব্যাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না: ৭ কে ব্যাসার্ধ দিলে ব্যাস হয় ১৪, আর ৭ কে ব্যাস ধরলে বাকি সব উত্তর অর্ধেক হয়ে যেত।
- একক একই রাখুন, কারণ পরিধি ও ক্ষেত্রফল সেই একই এককে ও তার বর্গে আসবে, তাই সেন্টিমিটার আর মিটার মিশিয়ে ফেললে ফলাফল নষ্ট হয়।
- এই টুল ব্যবহারের আগে মনে মনে পাই-কে ৩ ধরে নেবেন না, কারণ অন্তর্নির্মিত Math.PI নির্ভুলতা রাখে আর আগেভাগে রাউন্ড করলে ক্ষেত্রফল লক্ষণীয়ভাবে বিকৃত হয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- গোলাকার যেকোনো বস্তুর মাপ নিতে এটি ব্যবহার করুন, যেমন গোল টেবিলের প্রান্তের ট্রিম কত লাগবে বা গোল ঢাকনায় কত রং লাগবে তা বের করা।
- জ্যামিতির হোমওয়ার্কে একটি ব্যাসার্ধ মাপ থেকেই বৃত্তের ব্যাস, পরিধি ও ক্ষেত্রফল মিলিয়ে দেখতে এটি ব্যবহার করুন।
হাতে-করা উদাহরণ
৭ একক ব্যাসার্ধের বৃত্তের ব্যাস ১৪, পরিধি প্রায় ৪৩.৯৮ এবং ক্ষেত্রফল প্রায় ১৫৩.৯৪।
সাধারণ প্রশ্ন
পরিধি আর ক্ষেত্রফল কি একই জিনিস?
না। পরিধি বৃত্তের প্রান্ত ঘিরে দূরত্ব, সাধারণ এককে মাপা হয়, আর ক্ষেত্রফল তার ভিতরের জায়গা, বর্গ এককে মাপা হয়।
আমি কি ব্যাস দিতে পারি?
না। এই টুল ব্যাসার্ধ চায়, তাই জানা ব্যাস থাকলে দুই দিয়ে ভাগ করে দিন, নইলে প্রতিটি উত্তর দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।