লঞ্চ ভাড়া হিসাব
দূরত্ব, প্রতি কিলোমিটার হার ও কেবিন শ্রেণি থেকে নদীপথের লঞ্চ ভাড়া বের করে এবং যাত্রীসংখ্যা দিয়ে গুণ করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
বাংলাদেশে লঞ্চের ভাড়া নির্দিষ্ট টিকিটের নয়, দূরত্বের উপর দাঁড়ায়, তাই রুটে যত দূর যান ভাড়া তত বাড়ে।
দ্বিতীয় বিষয় কেবিন শ্রেণি, কারণ খোলা ডেকে বসার চেয়ে ব্যবসায়িক বা ফার্স্ট ক্লাস বার্থে প্রতি কিলোমিটারে বেশি লাগে।
জনপ্রতি ভাড়াকে দলের সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে ঘাটে ওঠার আগে একজনকে কত টাকা জোগাড় করতে হবে তা পাওয়া যায়।
যে ভুলগুলো হয়
- ব্যবসায়িক বুকিংয়ে ডেকের ভাড়া ধরা, যাতে টিকিটের দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম দেখায়।
- শিশু ও অতিরিক্ত লাগেজ প্রায়ই লঞ্চের কাউন্টারে আলাদা চার্জ হয় তা ভুলে যাওয়া।
কখন ব্যবহার করবেন
- পারিবারিক সফরের টিকিট কেনার আগে লঞ্চ অপারেটরের বলা ভাড়া যাচাই করতে এটি ব্যবহার করুন।
- কাউন্টারের হুবহু দামের জন্য এটির উপর ভরসা করবেন না, কারণ অপারেটররা টার্মিনাল ট্যাক্স ও মৌসুমি সারচার্জ যোগ করে।
হাতে-করা উদাহরণ
১১৮ কিমি, প্রতি কিমি ২.৩৫ টাকা, ব্যবসায়িক শ্রেণিতে জনপ্রতি ৪১৫.৯৫ টাকা এবং তিন যাত্রীর মোট ১২৪৭.৮৫ টাকা।
সাধারণ প্রশ্ন
লঞ্চের ভাড়া কি ডেক শ্রেণি অনুযায়ী বদলায়?
হ্যাঁ, খোলা ডেক সবচেয়ে সস্তা, ব্যবসায়িক শ্রেণিতে প্রায় দেড় গুণ এবং ফার্স্ট ক্লাস কেবিনে ডেক ভাড়ার প্রায় দ্বিগুণ লাগে।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।