আয়তক্ষেত্রের হিসাব
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থেকে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ও পরিসীমা বের করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
আয়তক্ষেত্র দুটি সংখ্যা দিয়েই নির্দিষ্ট: দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ। বাকি সব মাপ এদের থেকে বেরিয়ে আসে, তাই ক্ষেত্রফল ও পরিসীমার জন্য এই দুটি মানই যথেষ্ট।
ক্ষেত্রফল গুনে কতগুলো একক বর্গ ভেতরে বসে, তাই এটি দুই বাহুকে গুণ করে। পরিসীমা কিনারায় হেঁটে যায়, তাই বাহু দুটো যোগ করে জোড়টি দ্বিগুণ করা হয়, কারণ বিপরীত বাহু সমান।
দুটি রাশি ভিন্নভাবে বাড়ে। শুধু দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হয় কিন্তু পরিসীমা দ্বিগুণেরও কম বাড়ে; দুই বাহুই দ্বিগুণ করলে ক্ষেত্রফল চার গুণ কিন্তু পরিসীমা মাত্র দ্বিগুণ, তাই বড় আকৃতি প্রতি একক কিনারায় অনেক বেশি জায়গা ঘিরে রাখে।
যে ভুলগুলো হয়
- দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যোগ করে সেটাকে ক্ষেত্রফল বলা। যোগফলটা পরিসীমার অর্ধেক, তল নয়।
- পরিসীমার জন্য দুই বাহু গুণ করা। গুণফলটা ক্ষেত্রফল; পরিসীমার জন্য যোগফল দ্বিগুণ করতে হয়।
- পরিসীমা বর্গ এককে লেখা। কেবল ক্ষেত্রফলেই বর্গ একক বসে; পরিসীমা একটি সাধারণ দৈর্ঘ্য।
কখন ব্যবহার করবেন
- মেঝে, উপকরণের পাত বা বাগানের বেড পরিকল্পনার সময় এটি ব্যবহার করুন, যেখানে ক্ষেত্রফল রং বা আচ্ছাদন ঠিক করে আর পরিসীমা কিনারা বা বেড়া ঠিক করে।
- L-আকৃতি বা গোল জায়গার জন্য সেটিকে আয়তক্ষেত্রে ভাগ করুন বা বৃত্তের টুল নিন; একটিমাত্র আয়তক্ষেত্র বাড়তি কিনারা ধরতে পারবে না।
হাতে-করা উদাহরণ
দৈর্ঘ্য ৮ ও প্রস্থ ৫ হলে ক্ষেত্রফল ৪০, পরিসীমা ২৬।
সাধারণ প্রশ্ন
ক্ষেত্রফল ও পরিসীমার একক কি এক?
ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্যের এককের বর্গে, আর পরিসীমা সেই এককেই। তাই সেন্টিমিটারে মাপলে ক্ষেত্রফল বর্গ সেন্টিমিটারে।
পরিসীমা কী কাজে লাগে?
পরিসীমা কিনারার মোট দৈর্ঘ্য, যা বেড়া, ফ্রেম বা বর্ডারের উপকরণ গুনতে দরকার হয়; ক্ষেত্রফল দরকার রং বা তলের।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।