সিএনজি ভাড়া হিসাব
দূরত্ব, প্রতি কিলোমিটার হার, বেস ফেয়ার ও অপেক্ষার সময় থেকে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া বের করে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
সিএনজির মিটার একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাগ-ডাউন চার্জের সঙ্গে প্রতি কিলোমিটার হার মেলায়, তাই ছোট যাত্রায় বেস ফেয়ার আর লম্বা যাত্রায় দূরত্বই প্রধান।
বাংলাদেশে অপেক্ষার সময় আলাদা ধরা হয়, তাই জ্যামে বা দোকানের সামনে থামলে দূরত্ব না বাড়লেও মোট বাড়ে।
তিনটি অংশ যোগ করলে যাত্রা শেষে মিটার যা দেখায় তা-ই মেলে, তাই এই মোট দরকষাকষির সমতুল্য দামের চেয়ে নির্ভরযোগ্য।
যে ভুলগুলো হয়
- কেবল দূরত্বের ভাড়া বলা আর বেস ফেয়ার ভুলে যাওয়া, যাতে যাত্রা শুরুর আগেই হিসাব ৪০ টাকা কম পড়ে।
- পথে থামতে বলার পর অপেক্ষার চার্জ বাদ দেওয়া।
কখন ব্যবহার করবেন
- মিটার ব্যবহার না হলে দূর-জেলার লম্বা সিএনজি যাত্রার আগে ন্যায্য দাম ঠিক করতে এটি ব্যবহার করুন।
- রাইড শেয়ার গাড়ির জন্য এটি ব্যবহার করবেন না, কারণ সেই সেবায় সার্জ গুণক থাকে যা এই হিসাবে ধরা হয় না।
হাতে-করা উদাহরণ
৮.৫ কিমি, প্রতি কিমি ১২ টাকা, বেস ফেয়ার ৪০ টাকা ও ২ টাকা মিনিটে ৬ মিনিট অপেক্ষা: দূরত্বের ভাড়া ১০২, অপেক্ষা ১২ এবং মোট ১৫৪ টাকা।
সাধারণ প্রশ্ন
সিএনজিতে সত্যিই অপেক্ষার সময়ের ভাড়া নেওয়া হয়?
হ্যাঁ, মিটার অপেক্ষার মিনিট আলাদা করে ধরে, তাই বাজারে বা জ্যামে দীর্ঘ বিরতি দূরত্ব না বাড়লেও ভাড়া বাড়ায়।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।