ডিটিআই হিসাব
ঋণদাতা যে দুই অনুপাত দেখে — গৃহকিস্তি আর সব মিলিয়ে — আর কত জায়গা বাকি।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ঋণদাতা একটা নয়, দুই অনুপাত দেখে। গৃহ-অনুপাত হল গৃহকিস্তি বনাম আয়; মোট অনুপাত তাতে বাকি সব ঋণকিস্তি যোগ করে। গৃহ ২৮%-এর মধ্যে আর সব মিলিয়ে ৩৬%-এর মধ্যে রাখাই প্রচলিত নিয়ম, আর দুই সীমাই দেখানো হয় যাতে আটকানোটা স্পষ্ট হয়।
কাজের ফল হল ফাঁকটা। ৩৬%-এ থাকা গাড়ি-ঋণওয়ালার বড় ঋণের জায়গা নেই, অথচ ২৮%-এ থাকার জায়গা আছে — আর কত, সেটাও দেখা যায়। এতে 'না' শব্দটা একটা কাজ করার অঙ্কে বদলায়।
যে ভুলগুলো হয়
- শুধু বন্ধক গোনা আর কার্ড, গাড়ি, ব্যক্তিগত ঋণের কিস্তি ভুলে যাওয়া। ওগুলো মোট অনুপাতে বসে, আর সাধারণত ওগুলোই ঋণগ্রহীতাকে সীমার বাইরে ঠেলে দেয়।
- ঋণদাতা গ্রস ধরলে আপনি নেট ধরে অনুপাত পড়া। দুই অঙ্কের ফারাক এক-তৃতীয়াংশও হতে পারে।
কখন ব্যবহার করবেন
- বন্ধক চাওয়ার আগে ব্যবহার করুন — কোন সীমার কাছে আছেন আর কী করলে নিচে নামবেন জানতে।
- প্রত্যাখ্যানের পরের টুলও এটাই: কার্ড শোধ করা ধরে হিসাব চালিয়ে দেখুন, শুধু সেটাই যথেষ্ট কি না।
হাতে-করা উদাহরণ
মাসে ৫,০০০ আয়, গৃহকিস্তি ১,৪০০, অন্য ঋণ ৪০০ — গৃহ অনুপাত ২৮%, মোট ডিটিআই ৩৬%।
সাধারণ প্রশ্ন
২৮% আর ৩৬% কোথা থেকে?
এগুলো বহুল ব্যবহৃত ঋণদাতার সীমা। গৃহকিস্তি আয়ের ২৮%-এর মধ্যে রাখলে আর সব ঋণ মিলিয়ে ৩৬%-এর মধ্যে থাকলে ঋণ পাওয়া সহজ হয়।
কোনটা আগে আটকায়?
যেটা আপনার আয়ের তুলনায় বেশি, সেটাই। কার্ড বা গাড়ির কিস্তি থাকলে সাধারণত মোট অনুপাত আগে সীমায় ঠেকে।
সম্পর্কিত টুল
-
ঋণের কিস্তি (ইএমআই)
কত টাকা ঋণ নিলে মাসে কত কিস্তি, আর পুরো মেয়াদে সুদ মিলিয়ে কত দিতে হবে।
-
কার্ডের ঋণ শোধের হিসাব
কার্ডে জমা ঋণ প্রতি মাসে কত দিলে কত মাসে শেষ হবে, আর সুদ কত লাগবে।
-
ব্রেক-ইভেন: কত বিক্রি করলে খরচ উঠবে
ব্যবসার খরচ উঠাতে কতটা জিনিস বেচতে হবে, তা বের করা।
-
কত টাকার বাড়ি কিনতে পারবেন
আয় আর জমানো টাকা থেকে কত টাকার ঋণ পাওয়া যাবে, আর কোন শর্তটা আটকাবে।
-
ঋণের মোট খরচ
কিস্তি মিলিয়ে শেষে আসলে কত টাকা দিতে হয়, আর সুদে কত যায়।
-
বাড়তি কিস্তিতে কত বাঁচবে
প্রতি মাসে একটু বেশি দিলে কত মাস কমবে, আর কত সুদ বাঁচবে।