লক্ষ্যের তারিখ ক্যালকুলেটর
নির্দিষ্ট তারিখে লক্ষ্যে পৌঁছাতে মাসে কত জমাতে হবে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
তারিখসহ লক্ষ্য আসলে মাসিক অঙ্কেই লুকিয়ে থাকে। আপনার হাতে থাকা জমা নিজে নিজেই বাড়ে, বাকিটা মাসে মাসে জমাতে হয়। উদাহরণে ১,০০,০০০ পাঁচ বছরে ৮%-এ বেড়ে ১,৪৮,৯৮৫ হয়, বাকি ৮,৫১,০১৫, মানে মাসে ১১,৫৮২।
দুই ভাগই জরুরি। রিটার্ন বাড়ালে মাসিক অঙ্ক কমে, বড় জমা দিয়ে শুরু করলেও কমে; তাই টুল বেড়ে-ওঠা জমা আর বাকিটা মাসিক কিস্তির পাশে দেখায়।
যে ভুলগুলো হয়
- লক্ষ্যকে মাস দিয়ে ভাগ করে পরিকল্পনা করা। তাতে হাতে থাকা জমার বৃদ্ধি বাদ পড়ে, আর লম্বা মেয়াদে মাসিক অঙ্কটা অনেক বাড়িয়ে দেখায়।
- বেশি রিটার্ন ধরা মানে বেশি ঝুঁকি — এটা ভুলে যাওয়া। মাসিক কমে বটে, কিন্তু তবেই যদি রিটার্নটা সত্যিই আসে, যা নিশ্চিত নয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- লক্ষ্যের সাথে তারিখ থাকলে ব্যবহার করুন — সহজ ভাগফলের বদলে মেয়াদটা আসলে মাসে কত জমা চায়, তা দেখতে।
- নিরাপদ অঙ্কের জন্য রিটার্নে ০ দিন। টুল ধরে নেয় জমাটা প্রতি মাসের শেষে হয়, যা প্রচলিত তবে একটু রক্ষণশীল নিয়ম।
হাতে-করা উদাহরণ
১০,০০,০০০ লক্ষ্য, এখন ১,০০,০০০, ৬০ মাস, ৮% — জমা বেড়ে ১,৪৮,৯৮৫ হয়, বাকি ৮,৫১,০১৫, মাসে লাগবে ১১,৫৮২।
সাধারণ প্রশ্ন
রিটার্ন ০ দিলে?
তখন শুধু জমার হিসাব হয়, কোনো সুদ ধরা হয় না — সবচেয়ে নিরাপদ অনুমান।
লক্ষ্য আগেই পূরণ হলে?
তাহলে মাসিক প্রয়োজন ০ দেখাবে, আর বাকি সারিতেও ০ আসবে — কিছু জমাতে হবে না।
সম্পর্কিত টুল
-
সরল সুদ
যে সুদ আসলের উপরেই বসে, বারবার জমে না।
-
চক্রবৃদ্ধি সুদ
সুদের উপর আবার সুদ বসলে টাকা কত দ্রুত বাড়ে।
-
সঞ্চয়ের লক্ষ্য: কত মাস লাগবে
প্রতি মাসে কিছু জমিয়ে কত মাসে লক্ষ্যে পৌঁছাবেন।
-
মাসিক জমায় কত হবে
প্রতি মাসে সমান টাকা জমালে কয়েক বছর পরে কত দাঁড়াবে, তার মধ্যে সুদ কত।
-
বিনিয়োগের রিটার্ন
যত টাকা লাগিয়েছেন তার উপর কত লাভ হলো, আর বছরে গড়ে কত হারে।
-
মূল্যস্ফীতি-সমন্বিত মূল্য
মূল্যস্ফীতির পর টাকার আসল দাম কত থাকবে, আর আজকের খরচ পরে কত হবে।
-
বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার (CAGR)
শুরু আর শেষের অঙ্ক থেকে বছরে গড়ে কত হারে বেড়েছে তা বের করা।
-
টাকা দ্বিগুণ হওয়ার সময়
একটা হারে টাকা কত বছরে দ্বিগুণ হয় — ৭২-এর নিয়মে আর সঠিক হিসাবে।