বিএমআই ক্যালকুলেটর
উচ্চতা ও ওজন থেকে বিএমআই, আর সেটা কোন সীমায় পড়ে।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
বিএমআই কেজিতে ওজনকে মিটারে উচ্চতার বর্গ দিয়ে ভাগ করে। বর্গ করাটাই আসল: উচ্চতা বিয়োগ হয় না, দুইবার গুণ হয় — তাই একই ওজন ১৬০ আর ১৯০ সেমিতে খুব আলাদা দেখায়।
সংখ্যাটা একটা স্ক্রিনিং সীমা, স্বাস্থ্যের মাপকাঠি নয়। এটা পেশি, হাড়ের ঘনত্ব বা চর্বি কোথায় জমেছে তা দেখতে পায় না, তাই একই উচ্চতা-ওজনের একজন ব্যায়ামকারী আর একজন বসে থাকা মানুষের একই অঙ্ক আসে। সীমাটা দেখুন, তারপর নিজের শরীর সম্পর্কে যা জানেন তার পাশে রেখে আবার দেখুন।
যে ভুলগুলো হয়
- উচ্চতা মিটারে (১.৭) দেওয়া, সেমিতে (১৭০) নয় — এতে বিএমআই প্রায় দশ হাজার গুণ ছোট আসে।
- সংখ্যাটাকে রোগনির্ণয় ভাবা। এটা একটা সীমা, ডাক্তার অন্য অনেক কিছু মিলিয়ে দেখেন।
- শিশুর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা। শিশুর জন্য বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক গ্রোথ চার্ট লাগে, প্রাপ্তবয়স্কের সীমা নয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- প্রাপ্তবয়স্কের দ্রুত মোটামুটি সীমা জানতে, বা মাসের পর মাস ধারা দেখতে ব্যবহার করুন।
- শুধু এটা দিয়ে স্বাস্থ্য বিচার করবেন না, আর শিশু, গর্ভবতী মা বা খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে একেবারেই নয়।
হাতে-করা উদাহরণ
৬৮ কেজি, ১৭০ সেমি — বিএমআই ২৩.৫, স্বাভাবিক সীমায়।
সাধারণ প্রশ্ন
বিএমআই কি সবাইর জন্য ঠিক?
না। বিএমআই শুধু ওজন আর উচ্চতার হিসাব — পেশি আর চর্বি আলাদা করে না। যে নিয়মিত ব্যায়াম করেন তার পেশি বেশি, তাই বিএমআই বেশি আসতে পারে অথচ তিনি সুস্থ। শিশু, গর্ভবতী মা আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে আলাদা মানদণ্ড লাগে।
কোন সীমা কী বোঝায়?
১৮.৫-এর নিচে কম, ১৮.৫–২৪.৯ স্বাভাবিক, ২৫–২৯.৯ বেশি, ৩০-এর উপরে স্থূল। এগুলো জনসংখ্যার পরিসংখ্যান, ব্যক্তির রোগনির্ণয় নয় — সন্দেহ হলে ডাক্তার দেখান।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।