ক্যালরি ক্যালকুলেটর
ওজন ধরে রাখতে, কমাতে বা বাড়াতে দৈনিক কত ক্যালরি দরকার।
সাম্প্রতিক
সূত্র
হিসাবটা কীভাবে হয়
ধরে রাখার অঙ্কটা দুই ধাপে তৈরি। প্রথমে বেসাল রেট: সম্পূর্ণ বিশ্রামে শরীর কত পোড়ায়, যা ওজন, উচ্চতা, বয়স আর লিঙ্গ থেকে আসে। তারপর সেটা সক্রিয়তার গুণক দিয়ে গুণ হয় — সারাদিন বসে থাকলে ১.২, দিনে দুইবার কঠিন ব্যায়াম হলে ১.৯।
বেসাল রেটটা ইচ্ছে করেই ধরে রাখার অঙ্কের পাশে দেওয়া। একা একটা মেইনটেন্যান্স সংখ্যা দেখলে মনে হয় কেউ বানিয়ে দিয়েছে; পাশে বেসাল রেট থাকলে বোঝা যায় পার্থক্যটা আপনার সক্রিয়তা, আর সক্রিয়তার মাত্রা বদলালে ফর্মের আর যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি অঙ্কটা নড়ে।
যে ভুলগুলো হয়
- ব্যস্ত লাগছে বলে 'খুব সক্রিয়' বেছে নেওয়া। গুণকগুলো ব্যায়াম নিয়ে, ডেস্কে ব্যস্ত দিন নিয়ে নয়।
- কমানোর অঙ্কটাকে স্থায়ী লক্ষ্য বানানো। মাসের পর মাস ঘাটতি রাখা আর কয়েক সপ্তাহ রাখা এক কথা নয়।
- বর্তমান ওজনের বদলে লক্ষ্য ওজন বসানো — সমীকরণ আপনার এখনকার শরীরের উত্তর দেয়, যা চান তার নয়।
কখন ব্যবহার করবেন
- শুরুর একটা অঙ্ক পেতে, আর আপনার সক্রিয়তার মাত্রা কত ক্যালরির সমান তা বুঝতে ব্যবহার করুন।
- এটা সমীকরণ থেকে পাওয়া আন্দাজ, মাপ নয়। এক সপ্তাহ আসলে যা খান লিখে রাখুন, তারপর আসল সংখ্যা থেকে ঠিক করুন।
হাতে-করা উদাহরণ
৬৮ কেজি, ১৭০ সেমি, ৩০ বছর, পুরুষ, মাঝারি সক্রিয় — ধরে রাখতে ২,৪৬৩ ক্যালরি, কমাতে ১,৯৬৩।
সাধারণ প্রশ্ন
কেন বয়স আলাদা করে লাগে?
কারণ বয়স বাড়ার সাথে বিশ্রামে খরচ হওয়া ক্যালরিও কমে। মিফলিন-স্ট জিয়র সমীকরণে প্রতি বছরে ৫ ক্যালরি কমে। তাই একই ওজন-উচ্চতায় ৪০ বছরের ব্যক্তির দরকার ৩০ বছরের জনের চেয়ে কম।
৫০০ ক্যালরি কম-বেশি কেন?
৫০০ ক্যালরির ঘাটতি বা বাড়তি মোটামুটি সপ্তাহে আধা কিলো ওজন বদলায়। এটা একটা পরিচিত শুরুর বিন্দু, নিয়ম নয় — বাস্তবে বদল ধীরে আসে, আর অনেক দিন একই ঘাটতি রাখলে শরীর খাপ খাইয়ে ফেলে।
সম্পর্কিত টুল
-
ডিসকাউন্ট ক্যালকুলেটর
কোনো জিনিসে ছাড় থাকলে আসল দাম কত দিতে হবে, আর কত টাকা বাঁচল — এক নজরে।
-
টিপ ক্যালকুলেটর
বিলের উপর টিপ যোগ করে মোট কত, আর ক'জন ভাগ করলে মাথাপিছু কত।
-
ট্যাক্স বা ভ্যাট যোগ করার ক্যালকুলেটর
দামের উপর ট্যাক্স যোগ করলে মোট কত হবে।
-
শতাংশ হিসাব
একটা সংখ্যা আরেকটার কত শতাংশ, তা বের করা।
-
শতাংশে বৃদ্ধি বা কমতি
আগের সংখ্যা থেকে নতুন সংখ্যা — কত শতাংশ বাড়ল বা কমল।
-
মাসিক বাজেট ভাগ
মাসের আয়কে খরচ, শখ আর সঞ্চয়ে ভাগ করা — সাধারণ ৫০/৩০/২০ নিয়মে।
-
লাভের মার্জিন ও মার্কআপ
কেনা দাম আর বেচা দামের ব্যবধান থেকে লাভ, মার্জিন আর মার্কআপ।
-
ছাড়ের আগের দাম বের করা
ছাড়ের পরের দাম আর ছাড়ের হার থেকে আগের আসল দাম বের করা।